Uncategorized

ধর্মনিরপেক্ষতা সেকুলারিজম – ইসলাম বিরোধী কুফরী মতবাদ – কেনো?

ধর্মনিরপেক্ষতা / সেকুলারিজম – প্রকাশ্য ইসলাম বিরোধী কুফরী মতবাদ – কেনো?

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ

الحمد لله و الصلاة و السلام على رسوله محمد و على أله و أمّته

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مُحَمَّدٍ النبي الأمي عَدَدَ خَلْقِك وَ رِضَا نَفْسِك وَزِنَةَ عَرْشِك وَ مِدَادَ كَلِمَاتِك، صَلِّ عَليه صَلاَةً كَامِلَةً دَائِمَةً كَمَا يَنْبَغِي أَنْ يُصَلَّى عَلَيهِ وَ سَلِّمْ تَسلِيمَاً بِقَدرِ عَظَمَةِ ذَاتِكَ فِى كُلِّ وَقتٍ وَ حِين، صلاة تكون لك رضاء و له جزاء، صلاة لا غاية لها ولا منتهى ولا انقضاء باقية ببقائك الى يوم الدين ، و اعطه الوسيلة و الفضيلة و المقام المحمود الذي وعدته، و اجزه عنا ما هو اهله، و على اله وأصحابه و أزواجه و ذريته و أهل بيته و سلم تسليما مثل ذلك، اَللّٰهُمَّ اجمعني معه في الفردوس و جنة المأوى، اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مُحَمَّدٍ صَلوٰةً تُنَجِّيْنَا بِهَا مِنْ جَمِيْعِ الْأَهْوَالِ وَاْلآفَاتِ وَتَقْضِيْ لَنَا بِهَا مِنْ جَمِيْعِ الْحَاجَاتِ وَتُطَهِّرُنَا بِهَا مِنْ جَمِيْعِ السَّيِّاٰتِ وَتَرْفَعُنَا بِهَا عِنْدَكَ اَعْليٰ الدَّرَجَاتِ وَتُبَلِّغُنَا بِهَا اَقْصىٰ الْغَايَاتِ مِنْ جَمِيْعِ الْخَيْرَاتِ فِي الْحَيَاتِ وَبَعْدَ الْمَمَاتِ- اِنَّكَ عَليٰ كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٍ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ

[এই লিখার সাথে সম্পৃক্ত একটি শুভ স্বপ্ন: আমি এই ওয়েবসাইটের অন্যান্য বেশ কিছু টপিক লিখা শেষ করার পর বিশেষ ভাবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে লিখায় হাত দিই। টপিক দুটি ছিল যথা- (১)মহানবীর ভবিষ্যদ্বাণী সিরিজ’ এবং (২)ধর্মনিরপেক্ষতা কেনো পথভ্রষ্টতা ও কুফরী মতবাদ ?’।এ দুটি লিখার কাজ একই মাথে সমান্তরালে চলছিল; কখনো এটি কখনো ওটি -যখন যেভাবে পেয়েছি লিখেছি। এভাবে প্রায় ১ বছর ধরে ধীরে ধীরে লিখালিখির পর আমি যখন ‘মহানবীর ভবিষ্যদ্বাণী সিরিজ’-এর প্রায় ৯০% অংশ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র প্রায় ৩০/৪০% অংশ ((নিম্নের পয়েন্ট/পৃষ্ঠা নং ১, ২, ৩.১-(ক-খ), ৩.২, ৩.৩-(ক-গ) এবং ৩.৪-(ক-খ) পর্যন্ত, যা ধর্মনিরপেক্ষতা’কে কুফরী প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট হয়ে গিয়েছিল)) লিখা শেষ করি, এর কিছুদিন পর হঠাৎ একদিন (গত ২০১৯ ইং-সালের খুব সম্ভবত নভেম্বর/ডিসেম্বরের দিকে) আমার এক পরিচিত ‘আলেম’ যিনি সুদূর …….-এ থাকেন (গোপনীয়তার সুবাদে তার নাম/ঠিকানা উল্লেখ করলাম না), তার বাবা একটি সুসংবাদ (মোবাইলে না বলে বরং) নিজ মুখে বলার জন্য কষ্ট করে একেবারে আমার বাসায় চলে আসেন দুপুরে এবং বলেন যে, তার ছেলে (মাওলানা সাহেব) গত রাতে স্বপ্নে দেখেন – ‘আমি (লেখক) বেহেশতের মধ্যে একটি চেয়ারে বসে আছি’। আমার কাছে স্বপ্নটি মাওলানা সাহেবের হওয়ায় -স্বপ্নটি যে আল্লাহ’র পক্ষ থেকে তার এই নাচিজ বান্দার কাছে দয়াভরা এক মন-শিতলকারী উপহার প্রেরণ ছিল, তার আশা আরো জোরালো ভাবে বেড়ে যায়। মাওলানা সাহেব এমনিতেই খুব আমলদার -সারাদিন যখন সুযোগ পান নামাজ পড়েতে থাকেন, তদুপরি তার ব্যাপারে একটি কথা কেবলমাত্র তার বাবা, তার মাদ্রাসার এক উস্তাদ (মুহতামিম) মহোদয় এবং আমি -এই তিনজন জানি (যা তার বাবা একদিন আমার কাছে বর্ণনা করেছিলেন), সেটা হল, “মাওলানা সাহেব যখন বেশ ছোট ও মাদ্রাসায় পড়তেন, তখন দেখা যেতো তিনি তার বাড়ি থেকে বের হয়ে চলার পথে কোমড় হেলে হাত দিয়ে কী যেন সরিয়ে সরিয়ে অনেক ধীরে ধীরে এগুতেন, যার কারণে মাদ্রাসায় পৌছতে পৌছতে অনেক সময় লাগে যেতো। একদিন তাকে এরকম করার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জাবাবে বলেন যে, তিনি যখনই বাড়ি থেকে বের হয়ে মাদ্রাসার দিকে চলা শুরু করেন, তখন সোনালী রং-এর হাসের মতো বহু প্রাণী তার পায়ের কাছে এসে ভীর করতে থাকে যাদেরকে ওভাবে হাত দিয়ে সরিয়ে সরিয়ে সামনে এগুনো ছাড়া তার পক্ষে সামনে হাটা সম্ভব হয় না”। আমি মনে করি, মাওলানা সাহেবের এই ঘটনাটি মূলত: হাদিসের ভাষ্য- مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا سَلَكَ اللَّهُ بِهِ طَرِيقًا مِنْ طُرُقِ الْجَنَّةِ وَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ  – “যে ব্যাক্তি ইলম হাসিলের জন্য পথ ধরে অগ্রসর হয়, আল্লাহ তাকে বেহেশতের কোনো পথ ধরে অগ্রসর করিয়ে দেন, আর নিশ্চই ফেরেশতাগণ (ওই) তালেবে-ইলমের প্রতি সন্তষ্ট হয়ে (তার যাত্রাপথে) তাদের ডানা বিছিয়ে রাখে”[সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৩৬৪১] -এরই একটি বাস্তব নমুনা, যা মাওলানা সাহেব স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। আর আমার ধারনা, স্বপ্নের মধ্যে আমি যে চেয়ারটিতে বসে ছিলাম সেটা ওই চেয়ারের প্রতিচ্ছবি, যে চেয়ারে বসে আমি আমার কম্পিউটারে এসব লিখালিখি করে আসছি, (ইনশাআল্লাহ)। আমি আল্লাহ’র কাছে আশা রাখি, তিঁনি আমার অন্তত এই দুটি টপিককে কুবল করেছেন। তবে বেহেশত কেবল আল্লাহ’র দয়ায় পাওয়া সম্ভব; আমল দ্বারা নয়]

 

ধর্মনিরপেক্ষতা সেকুলারিজম কুফরী

 

ধর্মনিরপেক্ষতা : ইসলাম বিরোধী কুফরী মতবাদ: সূচিপত্র (index)

১. “ ধর্মনিরপেক্ষতা পরিষ্কার আল্লাহদ্রোহিতা ও কুফর” -এ ব্যাপারে আমার কলম ধরার কারণ [পৃষ্ঠা ১]

২. ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ -এর সংজ্ঞা ও অর্থ এবং এর ৬টি অত্যাবশ্যক মৌলিক বৈশিষ্ট /শর্ত [পৃষ্ঠা ২]

৩. ধর্মনিরপেক্ষতা’র ১ম বৈশিষ্ট/শর্ত: ‘রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে ধর্মকে সম্পূর্ণরূপে ছাটাই করায় বিশ্বাস রাখা’ কোনো পরিষ্কার আল্লাহদ্রোহিতা, দ্বীন ইসলামের বিরোধীতা, শিরক ও কুফরে আকবর: বিস্তারিত আলোচনা নিম্নোরূপ:-

৩.১-(ক) ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থা  -প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহিতা, ইসলাম বিরোধীতা ও কুফর -কেনো ? [পৃষ্ঠা ৩.১-(ক)]

৩.১-(খ) কুরআন হাদিসের স্পষ্ট দলিল থেকে ‘ইসলামী খিলাফত’ প্রমাণ ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থা’র রদ [পৃষ্ঠা ৩.১-(খ)]

৩.-(ক) ধর্মনিরপেক্ষ আইন রচনা -প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহিতা, শিরক ও কুফর হওয়ার দলিল  [পৃষ্ঠা ৩.২-(ক)]

৩.২-(খ) আল্লাহ’র নাজিলকৃত শরিয়াহ আইন vs ধর্মনিরপেক্ষ কুফরী আইন ও প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহিতা [পৃষ্ঠা ৩.২-(খ)]

৩.৩-(ক) ধর্মনিরপেক্ষ নির্বাহী ব্যবস্থা -প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহিতা, পথভ্রষ্ঠতা ও কুফর হওয়ার দলিল [পৃষ্ঠা ৩.৩- (ক)]

৩.৩-(খ) রাষ্ট্রপ্রধান ‘মুসলীম ও পুরুষ’ হওয়ার এ শর্ত দু’টির ক্ষেত্রে – ইসলাম vs ধর্মনিরপেক্ষতা [পৃষ্ঠা ৩.৩-(খ)]   

৩.৩-(গ) রাষ্ট্রপ্রধান মনোনয়ন ও নিবার্চন করার পন্থা চয়নের ক্ষেত্রেইসলাম vs ধর্মনিরপেক্ষতা [পৃষ্ঠা ৩.৩-(গ)

৩.৩-(ঘ) রাষ্ট্রপ্রধান-এর ক্ষমতা, কার্যাবলি ও দায়দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে – ইসলাম vs ধর্মনিরপেক্ষতা [পৃষ্ঠা ৩.৩-(ঘ)]

৩.৩-(ঘ-১) খলিফার দায়িত্ব মুসলমানদের মাঝে নামায কায়েম রাখা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঘ-২) খলিফার দায়িত্ব মুসলমানদের মাঝে যাকাত ব্যবস্থা কায়েম রাখা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঘ-৩) ইসলামী বায়তুল মাল কায়েম, তার আয়, ব্যায় ও বিনিয়োগ ব্যাবস্থা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ

৩.৩-(ঘ-৪) মুসলমানদের জন্য দ্বীনী তালিম (শিক্ষা) ও ইবাদতের সুবন্দোবস্ত করা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঘ-৫) ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিচার ব্যবস্থা কায়েম করা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঘ-৬) নাগরিকদের জান, মাল, ইজ্জতের অধিকার নিশ্চিত করা vs ধর্মনিরপেক্ষতা [অসম্পূর্ণ

৩.৩-(ঘ-৭) দেশে যাবতীয় হারাম ও নাজায়েয মাধ্যম গুলো বন্ধ  এবং হালাল মাধ্যম সৃষ্টি করা  vs ধর্মনিরপেক্ষতা  [অসম্পূর্ণ

৩.৩-(ঘ-৮) দ্বীনের প্রচার ও প্রসার ও সংরক্ষনের জন্য দাওয়াত ও তাবলীগ এবং জিহাদ অব্যাহত রাখা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঘ-৯) দেশ ও জনগণের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জনকল্যানমূলক কাজ করা [অসম্পূর্ণ]

৩.৩-(ঙ) রাষ্ট্রপ্রধানের আনুগত্য, মুখালিফাত (বিরোধিতা), বাগাওয়াত (বিদ্রোহ), খুরুজ (অস্ত্রধারন) [পৃষ্ঠা ৩.৩-(ঙ)

৩.৪-(ক) রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা -প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহিতা, শিরক ও কুফর হওয়ার দলিল [পৃষ্ঠা ৩.৪-(ক)

৩.৪-(খ) আল্লাহ’র নাজিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার না করা কুফর ও বিচারক কাফের -এর ব্যখ্যা  [পৃষ্ঠা ৩.৪-(খ)

৩.৪-(গ) ইসলামে বিচারক ‘মুসলীম’ হওয়া শর্ত : ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের শরীয়ত বিরোধীতা [পৃষ্ঠা ৩.৪-(গ)]   

৩.৪-(ঘ) ইসলামে বিচারক ‘পুরুষ’ হওয়া শর্ত : ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের শরীয়ত বিরোধীতা [পৃষ্ঠা ৩.৪-(ঘ)]   

৪. ধর্মনিরপেক্ষতা’র ২ নং থেকে ৫ নং বৈশিষ্ট/শর্ত: প্রকাশ্য আল্লাহ‘র সাথে দুশমনি, দ্বীন ইসলামের সাথে দুশমনি, মুমিন মুসলমানদের সাথে দুশমনি’র বহি:প্রকাশ : এর বিস্তারিত আলোচনা নিম্নোরূপ:- 

৪.১. ইসলামী পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে ধর্মনিরপেক্ষতা’র হস্তক্ষেপ ও ইসলাম দুশমনি [অসম্পূর্ণ]

৪.২. দেশের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা’কে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী বানানোর লক্ষ্য ও ইসলাম দুশমনি [অসম্পূর্ণ]

৪.৩. দেশের সমাজ ব্যবস্থা’কে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী বানানোর লক্ষ্য ও ইসলাম দুশমনি [অসম্পূর্ণ]

৫. ধর্মনিরপেক্ষতা’র ৬ নং বৈশিষ্ট/শর্ত: নাগরিক’দের মাঝ থেকে -পক্ষপাতিত্বতা (Partiality/Discrimination), অন্যায় অবিচার (Injustice) ও বৈষম্যতা (Inequality) দূরীকরণ থিওরী – প্রকাশ্য মুনাফেকীতার বহি:প্রকাশ : এর বিস্তারিত আলোচনা নিম্নোরূপ:- 

৫.১. ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’দের দৃষ্টিতে দেশের নাগরীক’দের মাঝে পক্ষপাতিত্বতা (Partiality/Discrimination), অন্যায়, অবিচার (Injustice) ও বৈষম্যতার (Inequality) অর্থ বনাম ইসলাম [অসম্পূর্ণ]

৫.২. ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’রা প্রকাশ্য মুনাফেক হওয়ার দলিল – কুরআন সুন্নাহ’র আলোকে [অসম্পূর্ণ]

৬. এই শেষ জামানায় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’দের মুকাবেলায় ‘ইসলামী খিলাফত’ কায়েমের পক্ষের অত্যল্প সংখ্যক মুসলমান সমাজ : করণীয় ও বর্জনীয় দায়দায়ীত্ব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা

৬.১ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’রা শেষ জামানার ৭২ ফেরকার মধ্যে সর্বোবৃহৎ ফেরকা হওয়ার দলিল [অসম্পূর্ণ]

৬.২ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’দের ইমান-হীনতা ও সালাত (নামায) কবুল না হওয়ার দলিল [অসম্পূর্ণ]

৬.৩ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী নেতাদের স্মৃতিসৌধ, মুর্তি/ভাস্কর্য স্থাপন বা ছবি টানানোর মাধ্যমে সম্মান প্রদর্শন কঠিনতর হারাম কাজ [অসম্পূর্ণ]

৬.৪ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’কে ‘ইসলামী শিক্ষা’ মর্মে বিশ্বাসকারীরা যখন বিদআতী আক্বীদার পথভ্রষ্ঠ [অসম্পূর্ণ]

৬.৫ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’দের সাথে মুসলীম পুরুষ ও নারীদের বিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুন [অসম্পূর্ণ]

৬.৬ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’দের জানাযার নামায পড়া থেকে বিরত থাকুন [অসম্পূর্ণ]

৬.৬ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের পক্ষের কারা কারা জমিনে ইসলাম কায়েমের পথে বাঁধাদানকারীর অন্তর্ভূক্ত [অসম্পূর্ণ]

 
 
বি:দ্র: ইতিপূর্বে এই ওয়েবসাইটের Menu Bar (মেনু বার) এবং সাথে Right Side Bar (রাইট সাইড বার)-এও  “ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ / সেকুলারিজম প্রকাশ্য কুফর, আল্লাহদ্রোহিতা, পথভ্রষ্ঠতা নামে একটি পেজ সংযুক্ত করে দিয়েছি, (যে পেজে এতদসংশ্লিষ্ট সকল পেজের লিঙ্ক মওজুদ আছে)। কিন্তু যেহেতু (বিশেষ করে মোবাইলে ব্রাউজ করে) এই ওয়েবসাইটে ঢুকতেই Bar (বার) দুটি দৃষ্টিগোচর হয় না এবং প্রায় পাঠকই একটু কষ্ট করে Menu Bar (মেনু বার) থেকে পেজগুলো বের করে নিয়ে পড়তে চায় না, তাই আমি এই  Post (পোষ্ট) অপশনেও বিভিন্ন শিরোনামের সূচিপত্র (index) সহ “ ধর্মনিরপেক্ষতা / সেকুলারিজম – ইসলাম বিরোধী কুফরী মতবাদ – কেনো ?” -এই পেজটি আলাদা ভাবে সংযুক্ত করে দিয়েছি, যাতে প্রতিটি পাঠক এই সাইটে ঢোকা মাত্রই পোস্টের “ ধর্মনিরপেক্ষতা / সেকুলারিজম – ইসলাম বিরোধী কুফরী মতবাদ – কেনো ?” -এই টাইটেলটি দেখে তাতে কী আছে তা দেখার ও জানার আগ্রহ তৈরী হতে পারে এবং সহজেই এখানে ঢুকে শিরনামে ক্লিক করে আলোচনাগুলো একবার হলেও পড়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে, যারা ইসলামী খিলাফত ও ইসলামী পারিবারকি আইন বিষয়ে ইলম অর্জনকে জরুরী মনে করেন, সেই সকল মর্দে মুমিনগণকে একবার হলেও নিম্নের পয়েন্টগুলো ক্লিক দিয়ে পড়ে নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি এবং তা যতটা পারা যায় প্রচার প্রসার করার আহবান রাখছি]
 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.